fbpx
हमसे जुड़ें

প্রকৃত ঈশ্বর কে?

क्या हमे परमेश्वर की ज़रूरत है? कौन है सच्चा परमेश्वर?

अन्य भाषाएँ

প্রকৃত ঈশ্বর কে?

সব ঈশ্বর কি এক?????

আপনি যদি আপনার প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে না পারেন তাহলে নিরাশ হবেন না। 

আপনি যদি সমস্যায় ঘিরে থাকেন এবং না জানেন যে কোন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করা উচিৎ, প্রকৃত ঈশ্বর কে, তাহলে নিরাশ হবেন না। 

এই কথাটি আপনি হয়ত অনেকের মুখেই শুনেছেন যে সব ধর্ম সমান; সব ভগবান সমান; যেকোনো একটা ধর্মের ভগবানকে মেনে নিন, সবাই ত সমান। এই চিন্তাভাবনা যদি সঠিক হয় তাহলে প্রত্যেক মানুষের সমস্যা শেষ হয়ে যেত, কারণ প্রত্যেকেই কোনো না কোনো ভগবানের উপর আস্থা রাখে। পুজো, ভক্তি-সাধনা, কীর্তন, জাগরণ; এই দেশের প্রত্যেক মানুষ কোনো না কোনো ঈশ্বরের উপাসনা ত করেই থাকে। এবং এই দেশে ত ৩৩৩ কোটি দেব-দেবী আছে এবং আমাদের দেশের মানুষেরা এদের মধ্যে থেকে কারুর না কারুর উপর আস্থা ত রাখেই, এবং কেউ কেউ ভয়ের কারণে ভগবানের পুজো করে, যাতে তাদের ক্রোধ তাদের উপর এসে না পড়ে।

हमसे chat करें

ঈশ্বর ও মানুষের মধ্যে সম্পর্ক

ঈশ্বর ও মানুষের সম্পর্ক কি শুধুই লেন-দেনের একটা সম্পর্ক, যেখানে আমরা তাঁর ভক্তি-উপাসনা করবো এবং তিনি আমাদের রক্ষা করবেন? আমাদের আশীর্বাদ দেবেন? পণ্ড হয়ে যাওয়া কাজগুলিকে ঠিক করে দেবেন? এটাই কি প্রকৃত ঈশ্বরের সত্য নাকি এটা আমাদের সমাজের একটা বিচারধারা? যারা প্রকৃত ঈশ্বরের পরিভাষা নিজের জন্য আগে থেকেই তৈরি করে রেখেছে। এই কথাটি নিয়ে একটু চিন্তাভাবনা করুন। প্রকৃত ঈশ্বর যদি উত্তম হন এবং আমাদের ভালোবাসেন, তাহলে কীভাবে তিনি আমাদের উপর ক্রোধ করতে পারেন? ঈশ্বর যদি আমাদের ভালোবেসে থাকেন, তাহলে কীভাবে তিনি আমাদের শাস্তি দিতে পারেন? মানুষের উপর ক্রোধ করা ও তাদের শাস্তি দেওয়া কি তাঁকে এক প্রকৃত ঈশ্বর করে তোলে? 

নাকি সেই প্রকৃত ঈশ্বরের সাথে আমাদের এখনও সাক্ষাৎ হয়নি, কারণ আমরা প্রকৃত ঈশ্বরের কথা কখনও শোনার চেশ্তাই করিনি। 

সত্য কী?

সত্য এটাই যে একজনই প্রকৃত ঈশ্বর আছেন, যিনি আকাশ ও পৃথিবী নির্মাণ করেছেন এবং শুধুমাত্র মানুষকেই তাঁর নিজের প্রতিমূর্তিতে বানিয়েছেন। হ্যাঁ! ঈশ্বর আমাদেরকে প্রেম করেন এবং শুধুমাত্র মানুষকেই তিনি তাঁর সাদৃশ্যে বানিয়েছেন। 

এই কারণে আমাদের স্বভাব পশু, পাখী, গাছপালার মতো নয়, কারণ আমাদেরকে ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্টি করা হয়েছে। 

ঈশ্বর মঙ্গলময় ও করুনাময়, এবং যতজন তাঁকে অন্বেষণ করে, তারা তাঁকে খুঁজে পায়। হ্যাঁ! তিনি আপনাকে প্রেম করেন এবং লেন-দেনের চেয়েও অনেক বেশী তিনি আপনার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখতে চান। আপনি হয়ত ভাবছেন যে যদি ঈশ্বর আমাদেরকে প্রেম করেন এবং মানুষের সাথে একটা সম্পর্ক গর্তে চান, তাহলে আমাদের জীবনে দুঃখ, সমস্যা, যন্ত্রণা, দুর্ঘটনা কেন ঘটে? ভাল লোকেদের সাথে কেন খারাপ হয়? কিন্তু সত্য এটা যে এই সকল মন্দতার পিছনে ঈশ্বরের হাত নেই, বরং শয়তানের হাত রয়েছে, পাপ রয়েছে, যে কারুর মঙ্গল চায় না, আপনার আশীর্বাদকে চুরি করে নেয়, আপনাকে আঘাত করে, হত্যা করে। আপনি হয়ত ভাবছেন যে এইগুলি যদি আপনার বিরুদ্ধে কাজ করছে তাহলে এতগুলি ঈশ্বরের মধ্যে আপনি কার কাছ থেকে সাহায্য চাইবেন, কোন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করবেন যে আপনাকে বাঁচাতে পারবে, আপনার পণ্ড হয়ে যাওয়ায় কাজকে ঠিক করতে পারবে, আপনার সমস্যার সমাধান করতে পারবে? 

সেই ঈশ্বর হলেন যীশু খ্রীষ্ট কারণ শুধুমাত্র এই নামই পরিত্রাণ সাধন করার জন্য দেওয়া হয়েছে

1. অন্য কারুর দ্বারা উদ্ধার সম্ভব না কারণ আকাশের নীচে ও মানুষের মধ্যে আর কোনো নাম দেওয়া নেই, যে নামে উদ্ধার পাওয়া যায়। এমনই লেখা আছে বাইবেলের প্রেরিত্‌ পুস্তকের ৪:১২ পদে। 

2. যিশাইয় ৫৩:৫ পদে এমন লেখা আছে, “কিন্তু তিনি আমাদের অধর্ম্মের নিমিত্ত বিদ্ধ, আমাদের অপরাধের নিমিত্ত চূর্ণ হইলেন; আমাদের শান্তিজনক শাস্তি তাঁহার উপরে বর্ত্তিল, এবং তাঁহার ক্ষত সকল দ্বারা আমাদের আরোগ্য হইল”। 

3. যীশুই সেই প্রকৃত ঈশ্বর যিনি ক্রুশের উপর মারা গিয়েছিলেন। 

4. তাঁর রক্ত ঝরিয়েছিলেন।

5. তিন দিনের দিন মৃতগণদের মধ্যে থেকে বেঁচে উঠেছিলেন। 

6. তিনি মূল্য দিয়ে আপনাকে পাপ, মৃত্যু ও শয়তানের মায়াজাল থেকে উদ্ধার করেছেন। আপনি নিজেই চিন্তাভাবনা করুন, এমন কোন ঈশ্বর আছেন যিনি আপনাকে সমস্যা থেকে উদ্ধার করার জন্য, আপনার কষ্ট-দুঃখ দূর করার জন্য, আপনার পাপের জন্য তাঁর নিজের প্রাণ দিয়ে মূল্য চুকিয়েছেন। আপনার জন্য মূল্য দেওয়ার ত কেউ নেই, কিন্তু আপনার থেকে মূল্য নেওয়ার জন্য অনেকেই এসে গিয়েছে। শুধুমাত্র প্রভু যীশুই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ক্রুশের উপর মারা গিয়ে তাঁর প্রেম আমাদের কাছে প্রকাশ করেছেন। যীশুকে আপনি একবার পরখ করে দেখুন যে তিনি কতটা মঙ্গলময়, তাহলে আপনি নিজেই সত্যকে জানতে পারবেন এবং সেই সত্য আপনাকে স্বাধীন করবে। যদি আপনি প্রকৃত ঈশ্বরের বিষয়ে জানতে চান তাহলে আপনি নির্দ্বিধায় আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা আপনাকে সাহায্য করার জন্য তৎপর।

हमसे chat करें

आगे पढ़ना जारी रखें
To Top