fbpx
हमसे जुड़ें

বিয়ে করা কি জরুরী? একটি ভাল ও সফল বিয়ের ফর্মুলা কী? বিয়ের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়ে কিছু টিপ্পনী।

अन्य भाषाएँ

বিয়ে করা কি জরুরী? একটি ভাল ও সফল বিয়ের ফর্মুলা কী? বিয়ের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়ে কিছু টিপ্পনী।

বিয়ে করা কি জরুরী? বিয়ে সম্বন্ধে ঈশ্বরের দৃষ্টিকোণ, একটি সফল বিবাহের পক্ষে কিছু যুক্তি। একটি ভাল বিয়ের ফর্মুলা কী? বিয়ের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই হল এর রহস্য।

আজকের অনুরোধ শুনুন, একটি বিয়ের গান

“লোকে বলে এই জগতে ঈশ্র…সকলের জন্য কোনো না কোনো মানুষকে বানিয়েছেন…” 

গাড়ি চালাতে চালাতে এই রোম্যান্টিক গানটি শুনতে শুনতে আমার কিছু কথা মনে পরে গেল, এইগুলি শুনুন: 

“তোমার প্রোফাইল শাদি.কম -এ দিচ্ছ ত কি হয়েছে, বয়স যে অনেক হল, এখন ভাল ছেলে কোথা থেকে পাবে?”

“দেখো, সবাই তাদের নিজের মনের মতো জীবনসাথী পায় না, এতটা বাদ-বিচার কোরো না”। 

“তুমি খুব ভাল রোজগার কর, যেকোনো মেয়ে তোমাকে বিয়ে করতে চাইবে”। 

“সেলফি নিয়ে ওকে ফটোটা পাঠিয়ে দাও, এই সম্পর্কটিকে পাকা-পাকি করে নেওয়া যাক”। 

আমি ত লোকদের এটাও বলতে শুনেছি, “আমি ত এই জন্যই বিয়ের কাজগুলিকে পণ্ড করে দিই”। 

हमसे chat करें

কিন্তু বিয়ের গুরুত্ব কী? এটা প্রয়োজন, কিন্তু কেন?

বড় হয়ে ওঠার সময়ে বৈবাহিক জীবনের যে উদাহরণগুলি আমরা লক্ষ্য করি, সেখানে সব যে ভাল হবে, তা আবশ্যক নয়। বিয়ের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করতেই অনেক প্রকারের চিন্তা ও ভাবনা বেরিয়ে আসে। বিয়ের খরচ, স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া, শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে সম্পর্ক, বাচ্ছাদের দায়িত্ব নেওয়া, এবং আরও কত কিছু। কিন্তু সবাইকে যে বিয়ে করতে হবে, এটা আবশ্যক নয়। 

বিয়ে করার আগের প্রস্তুতি অত্যন্ত জরুরী। এটা যেন আমরা মনে না করি যে বিয়ের পর যা হবে, সেটা দেখা যাবে, আমরা একে অপরকে ভালোবাসি, তাই সব ঠিক হয়ে যাবে। ভালোবাসা কোনো ম্যাজিক নয় যে এটা আপনাকে জীবন যাপন করা শিখিয়ে দেবে। কিন্তু ভালোবাসা এমন একটা বিষয় যা সবকিছু শেখার একটা ভিত্তিমূল।

এই বিষয়ে ঈশ্বর কী বলেন?

বিয়ে একটা গভীর চুক্তি। ঈশ্বর এই সম্পর্কের গভীরতাকে তাঁর সাথে তাঁর লোকেদের সম্পর্কের সাথে তুলনা করে থাকেন। বাইবেলে লেখা আছে যে স্বামী যেন তার স্ত্রীকে এমন প্রেম করে, যেমন ঈশ্বর তাঁর নিজের লোকেদের প্রেম করেছেন। এমন নিঃস্বার্থ প্রেম, যে প্রেমের কারণে তিনি আমাদের পাপের জন্য নিজের প্রাণ বলিদান করলেন। 

ঈশ্বর যখন আদমকে সৃষ্টি করেছিলেন, তিনি দেখেছিলেন যে সে একা, এই কারণে তিনি তার জন্য এক সাথী সৃষ্টি করলেন। বিয়ে হল আজীবনের একটা ভালবাসায় পূর্ণ সম্পর্ক যেটাকে ঈশ্বর আশীর্বাদ করে থাকেন।

একটি ভাল বিয়ের ফর্মুলা কী? বিয়ের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই হল এর রহস্য। এটা হল একটি বৈবাহিক সম্পর্ককে মজবুত করার উপায়

“আমি” -র পরিবর্তে “আমরা” চিন্তাভাবনা করা শুরু করুন – বিয়ে হল একটা অংশীদারিত্ব। এটা সর্বদা মনে রাখবেন যে আপনারা দুইজন একই দলে রয়েছেন। একসাথে কিছু সখের কজা করার জন্য সময় বের করুন। যেমন একসাথে ঘুরতে যান, সিনেমা দেখুন, অথবা ঘরের কাজ একসঙ্গে করুন। এতে আপনারা একে অপরকে সম্মান করতে শিখবেন এবং একে অপরের পছন্দ-অপছন্দগুলিও জানতে পারবেন। 

  1. ভাল গুণগুলি খুঁজে বের করুন, দুর্বল দিকগুলি নয় – আমাদের মন যেকোনো মানুষের দুর্বল দিকগুলি প্রথমে খুঁজে বের করে, কিন্তু এটা আপনার বিয়েকে ভেঙ্গে ফেলতে পারে। আপনার সঙ্গীর ভাল গুণগুলি দেখুন ও সেইগুলিকে প্রোৎসাহিত করুন। এবং যখন তার দুর্বল দিকগুলি দেখিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন হবে, তখন ভালোবাসা ও ধৈর্যের সাথে তা করুন। 
  1. মন খুলে কথা বলুন – বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়ার একটা বড় কারণ হল একে অপরের সাথে কথা না বলা। আজকাল সবাই নিজেদের কাজে এতটা ব্যস্ত থাকে, এবং এর কারণেই আমরা আলাদা আলাদা জীবন যাপন করতে থাকি। কেননা রাত্রের খাওয়া-দাওয়ার সময়ে নিজেদের ফোনে ব্যস্ত না থেকে অথবা টিভি না দেখে একে অপরের খোঁজ-খবর নিই। এটা আপনাদের মধ্যে ভালোবাসাকে বাড়িয়ে তুলবে। আপনারা সেক্স অথবা যৌন সম্পর্ক সম্বন্ধে একে অপরের সাথে মন খুলে কথা বলুন। 
  1. এটা একটা প্রতিজ্ঞা – আপনার বিয়েকে ঈশ্বর বিশ্বাস, ভালোবাসা এবং সম্মান দিয়ে জুড়ে থাকেন, এর মধ্যে মিথ্যা, প্রতারণা, মারপিট এবং ছলনাকে আসতে দেবেন না। এটা আপনার সম্পর্ককে দীর্ঘ সময়ের জন্য সাহায্য করবে। 
  1. ক্ষমা করার প্রবণতা রাখুন – যদি আপনারা একে অপরের প্রতি রাগ করেন অথবা খারাপ মানসিকতা প্রদর্শন করে থাকেন, তাহলে এটা আপনার সম্পর্ককে ভেঙ্গে ফেলতে পারে। বাইবেলের এই আদেশটি আমি সম্পূর্ণ মন থেকে বিশ্বাস করি ও পালন করি। 

কলসীয় ৩:১৩, “পরস্পর সহনশীল হও, এবং যদি কাহাকেও দোষ দিবার কারণ থাকে, তবে পরস্পর ক্ষমা কর; প্রভু যেমন তোমাদিগকে ক্ষমা করিয়াছেন, তোমরাও তেমনি কর”।

  1. টাকা-পয়সা নিয়ে আলোচনা করুন – আপনার খরচ করার অভ্যাস এবং পরিকল্পনা ও লক্ষ্যগুলি নিয়ে আলোচনা করার মধ্যে দিয়ে ভবিষ্যতের অনেক মাথাব্যাথা থেকে নিজেকে বাঁচান। আপনার আয় থেকে কম খরচ করুন ও বর্ষাকালের জন্য সঞ্চয় করুন, এবং ঋণ নেবেন না। 
  1. সন্তানকে জন্ম দেওয়ার বিষয় নিয়ে আলোচনা করুন – আপনারা কি সন্তান নেবেন? যদি নেন, তাহলে কবে আপনারা সন্তানের জন্ম দেবেন? আপনারা দুজনেই কি চাকরী করবেন অথবা কেউ একজন সন্তানের দেখাশোনা করবেন?
  1. চাকরী/বন্ধু/পরিবার/সামাজিক বিষয়গুলি – এইগুলি আপনার বৈবাহিক সম্পর্ককে কেমন ভাবে প্রভাবিত করবে? এ ছাড়া, আপনার বিয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধতাগুলি নিয়ে আলোচনা করুন। 

এই কথাগুলি আপনার কাছে অত্যন্ত সামান্য বিষয় মনে হতে পারে, কিন্তু এইগুলিই একটি খুশি বৈবাহিক সম্পর্কের ভীত তৈরি করতে পারে। আপনি যদি এই বিষয়ে আরও জানতে চান, তাহলে আমাদের সাথে chat করতে পারেন। আসুন, আমাদের সাথে এই নতুন পথে।   

हमसे chat करें

To Top